নিজস্ব প্রতিবেদক :: শিশুদের সৃজনশীলতা, ভবিষ্যৎ দক্ষতা উন্নয়নে সচেতন করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপি ইভ্যালি-কিডস টাইম মেলা। জাতীয় শিশু অ্যাকাডেমিতে চলছে এই মেলা। মেলার প্রথম দিনেই উপস্থিত ছিল, প্রায় এক হাজার শিশু-কিশোর। দুই দিনব্যাপী এই মেলায় শিশুরা নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশ করছে ক্র্যাফট, সৃজনশীল ডিজাইন, পাপেট তৈরি করা ও ছবি আঁকার মাধ্যমে।
মেলার মূল আকর্ষণ শিশুদের জন্য তৈরি করা দুটো একটিভিটি জোন। ৩-৬ বছরের শিশুদের জন্য একটি আর সাত উর্ধ্ব বছর বয়সী শিশুদের জন্য ছিলো আরেকটি জোন। প্রতিটি জোনে শিশুদের বয়স উপযোগী বিভিন্ন একটিভিটি ছিলো। শিশুরা নিজের ইচ্ছামতো যা ভালো লেগেছে সেটাই করতে পেরেছে। মেলার স্থানে স্থানে ছিল শিশুদের জন্য বিভিন্ন গেম, ছিল ডিজাইন করার জায়গা, শিশুরা বড় হয়ে কি হতে চায় সেটা তারা লিখেছে ইচ্ছেঘরে। এছাড়া মূল মঞ্চে শিশুদের আনন্দের জন্য ছিল পাপেটের সাথে আনন্দনৃত্ত্য, ম্যাজিক শো, পাপেট শো। শিশুরা নিজেদের ইচ্ছা মতো বানিয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্রাফট। দিন শেষে বাসায় ফেরার সময় সেই ক্রাফটগুলো সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ারও ছিলো স্বাধীনতা।
অভিভাবকদের পাশাপাশি ঢাকার কয়েকটি স্কুল তাদের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের নিয়েও অংশ নিয়েছে ইভ্যালি-কিডস টাইম মেলায়। আয়োজকরা জানান, আনুমানিক ১০ হাজারেরও বেশি শিশু দুইদিনের মেলায় অংশ নিবে। মেলা প্রাঙ্গণে কয়েক’শ ভলেন্টিয়ারের তত্ত্বাবধানে শিশুরা আনন্দ উদযাপনে বিভিন্ন মজাদার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কাটিয়েছে পুরো দিনটি। মেলাকে আরও আকর্ষণীয় করতে যোগ দিয়েছিলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যারা শিশুদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশে বিভিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর মধ্যে ছিল গুফি, বাবুল্যান্ড, ইয়োডা, ইকরিমিকরি, ময়ুরপঙ্খি, স্টাইলাইন, ডক্টরোলা এবং ব্যাটারি লো। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি কেউ যদি তাৎক্ষণিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয় তার জন্য ছিলো ফাস্ট এইড জোন।
মেলার আয়োজন নিয়ে কিডস টাইমের মূল প্রতিষ্ঠান লাইট অব হোপ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওয়ালিউল্লাহ ভূইয়া বলেন, ‘ইভ্যালি কিডস মেলা দেখিয়েছে যখন কোনও শিশুকে তার উপযুক্ত পরিবেশ দেওয়া হয় তখন তার ভেতরের সত্যিকারের সৃজনশীলতা বের হয়ে আসে। শিশুদের মধ্যে সৃজনশীলতার বীজ রোপিত আছে এবং প্রতিটি শিশুর ক্ষমতা আছে বড় কিছু করার, তার বড় একটি নিদর্শন হয়ে থাকবে এই মেলা। আমাদের বিশ্বাস, বর্তমানের এই অস্থির সময়ে এ ধরনের আয়োজন ঢাকা এবং ঢাকার বাইরের শিশুদের জন্য নিয়মিতভাবে হওয়া প্রয়োজন।’পুরো মেলাটি স্পন্সর করেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স কোম্পানি ইভ্যালি লিমিটেড থাকলেও দুপুরের পর কানায় কানায় ভরে ওঠে শিশু অ্যাকাডেমি প্রাঙ্গণ। আজ শনিবার শেষ হবে এই মেলার আয়োজন।
বিডি প্রেসরিলিস / ২৬ অক্টোবর ২০১৯ /এমএম
Posted on ডিসেম্বর ১৯th, ২০২৫
Posted on নভেম্বর ২৭th, ২০২৫
Posted on অক্টোবর ১৬th, ২০২৫
Posted on আগস্ট ১৯th, ২০২৫
Posted on মে ২৮th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫