নিজস্ব প্রতিবেদক :: বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন সংগঠনটির জনপ্রিয় মুখ মুজাহিদ আর বেরুনী সুজন। সমমনা-৭ প্যানেল থেকে নির্বাচন করছেন তিনি। “পাশে থাকুন, আস্থায় রাখুন” স্লোগানে প্যানেলটি ২০২০-২০২২ মেয়াদকালে ৭ জন প্রার্থী ঘোষণা করেছে। নির্বাচনে নিজ প্যানেল ছাড়া আরো অনেক প্রার্থী প্রচারণা করলেও জনপ্রিয়তা সবার থেকেই এগিয়ে আছেন স্মার্ট প্রিন্টিং সলিশন লিমিটেডের পরিচালক মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন।
মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন বলেন, ভোটের রাজনীতি করার কোনো ইচ্ছা কখনো ছিল না, এখনো নেই। ইচ্ছা আছে বিসিএসের সব সদস্যদের নিয়ে এগিয়ে যাবো। বিগত দিনের বন্ধু-প্রিয়মানুষগুলো যা করতে পারেনি, যা বাকি ছিল, যা করা উচিত ছিল সেগুলো একটি একটি করে সমাধান এবং সফলতা নিয়ে আসায় হবে আমার কাজ। এ ছাড়াও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমি প্রাণপণ কাজ করে যাবো। বিসিএস নির্বাচনে আমার সদস্য নং- ১৭৯২।
তিনি আরো বলেন, বিসিএস আমার প্রাণের সংগঠন। এবার প্রথমবারের মতো প্রার্থী হিসেবে নিজেকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়েছি, তবে সেটি নিজের জন্য নয়, ভাই-বন্ধু-আপনজনের জন্য। সব সদস্য মিলেই আমার পরিবার, সে পরিবারের একজন হতেই আমি এগিয়ে এসেছি। এখন দরকার সবার সম্মিলিত ভালোবাসা এবং প্রচেষ্টা। সদস্যরা চাইলেই আমি আরো সাহস পাবো তাদের অধিকার আদায় এবং এগিয়ে যাবার সব বাঁধা অতিক্রম করতে।
উল্লেখ্য, মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন ২০ এপ্রিল ১৯৭৯ সালে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার শেরশাহ রোডে এক সভা মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ডাক্তার আমিন উদ্দিন এবং মা রওশন আরা আমিনের ৫ম সন্তান তিনি। বাবা আমিন উদ্দীন একজন ১ম শ্রেণির সরকারি কমকর্তা হওয়ার সুবাদে সারাদেশের বিভিন্ন এলাকার অফিসার্স কমিউনিটিতে বসবাসের সুযোগ পান তিনি। একইসঙ্গে ছোটবেলা থেকে স্বচ্ছল জীবনযাত্রা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েন। বাবা আমিন উদ্দিন বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম যার সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ছোটবেলা থেকেই প্রভাব পড়ে কিশোর মুজাহিদ আল বেরুনী ওপর।
মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন রাজশাহী বিভাগের স্বনামধন্য স্কুল ইক্ষু গবেষণা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করে ঢাকায় এসে নাটডেম কলেজে ভর্তি হন। পরবর্তীতে সিটি কলেজ থেকে বি.কম এম.কম পাশ করেন এবং সবশেষে মার্কেটিং বিষয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পড়াশোনা চলাকালীনই তিনি পারিবারিক প্রিন্টিং ব্যবসায়ের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। একই সময়ে স্কাউট, গান, সাহিত্য চর্চার সঙ্গে তিনি জড়িত থেকেছেন।বাবা আমিন উদ্দিন এক সময় আজাদ স্পোর্টিং এর খেলোয়াড় হওয়ার কারণে মুজাহিদ আল বেরুনী ফুটবলের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছিলেন। একপর্যায়ে চলন্তিকা এবং মিরপুর একাদশের মত প্রথম শ্রেণির দলেও খেলেছেন। পড়াশোনা শেষ করে ১৯৯৮ সালে বিশ্বখ্যাত ব্র্র্যান্ড অ্যাপল এর ডিভাইস বিক্রির মাধ্যমে নিজের প্রতিষ্ঠান এবিসি কম্পিউটার অ্যান্ড টেকনোলজিস গড়ে তোলেন। তারপর তিনি স্কাইনেট কম্পিউটার সিস্টেম এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরো বড় পরিসরে পিসি ও হার্ডওয়্যার বিক্রয় ও বিপণনে জোড়ালোভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৯ সাল থেকে দেশের সর্ববৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান না টেকনোলজিস এর সঙ্গে যুক্ত হন। স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডে এর প্রতিনিধি হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে দেশের এবং দেশের বাইরে শত শত সভা সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আইসিটি ডেভেলপমেন্টের জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের ডিভাইস ও সেবা পৌঁছে দেয়ার কাজ করে চলেছেন।
দেশব্যাপী তরুণদের বিভিন্ন সামাজিক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে ও তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথ প্রদর্শনে বর্তমানে তিনি ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশ এবং ইয়ুথ ভিলেজ নামে দুটি সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। তাছাড়াও গরীব, দুখী, বঞ্চিত মানুষের সেবায় উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে তার পারিবারিক দুই সংগঠন নিউ এরা ফাউন্ডেশন এবং আল বেরুনী ফাউন্ডেশন। উত্তরবঙ্গের বিখ্যাত বিজনেস ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান বিএম কলেজ ঈশ্বরদীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকও তিনি। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সব সদস্য ও সারাদেশের কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের প্রাণের মানুষে পরিণত হয়েছেন। এমন একজন সৎ, মেধাবী, পরিশ্রমী সংগঠক বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির নেতৃত্বে আসা সময়ের দাবি।
বিডি প্রেসরিলিস /০৫ মার্চ ২০২০ /এমএম
Posted on ডিসেম্বর ১৯th, ২০২৫
Posted on নভেম্বর ২৭th, ২০২৫
Posted on অক্টোবর ১৬th, ২০২৫
Posted on আগস্ট ১৯th, ২০২৫
Posted on মে ২৮th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫