নিজস্ব প্রতিবেদক :: বর্তমান প্রযুক্তির আরও আধুনিকায়নের মাধ্যমে ডিজিটাল রূপান্তরে সহায়তা করবে ডেল টেকনোলজিস। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে সম্প্রতি ঢাকায় পার্টনারদের নিয়ে এক সম্মেলন করেছে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি।সম্মেলনে আধুনিক কর্মশক্তি ও আইটি ল্যান্ডস্কেপে অবকাঠামোর ডিজিটাল রূপান্তর উন্মোচন ঘোষণা করেছে। যেখানে ব্যবসার শুরু থেকে একেবারে ক্লাউড সেবা পর্যন্ত রূপান্তরের কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সুবিধায়, ডেলের গ্রাহকরা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, সেটা মুখ্য বিষয় নয়। বরং তাদের যে কোনো প্রয়োজনের প্রক্রিয়াকরণ, পরিবহন, সংরক্ষণ, নিরাপত্তা দিতে সল্যুশন দেবে ডেল টেকনোলজিস।সম্প্রতি রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ডেলের দেশীয় পার্টনারদের নিয়ে সিম্পোজিয়ামটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে ডেল টেকনোলজিসের কর্মকর্তারা, ডেটা কীভাবে নতুন মুদ্রায় রূপান্তর হয়, ডেটা থেকে সর্বাধিক মান আহরণের বিভিন্ন কার্যক্রম, এর ব্যবসায়িক প্রয়োগ কেমন হতে পারে এবং বিভিন্ন ক্রমবর্ধমান ব্যবসাকে ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে নতুন কী সুবিধা পাওয়া যাবে সেগুলো তুলে ধরেন।বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের এক জরিপ অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত এবং নেতৃত্বস্থানীয় ৬৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠান শুধু ডিজিটাল রূপান্তরে না যাওয়ার ফলে হারিয়ে যেতে বসবে।
সে কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত হবে, ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে গ্রাহকদের ডেটা ল্যান্ডস্কেপকে সহজ করার পদক্ষেপ নেওয়া। একই সঙ্গে যেকোনো স্কেলে কাজের চাপকে অনুকূলে রাখতে এবং কোনও সংস্থার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ ডেটার সুরক্ষার জন্য পরিকল্পিত অবকাঠামোসহ তাদের ডেটা সেন্টারগুলিকে আধুনিকায়ন করার মতো সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।ডেল টেকনোলজিসের ডিজিটাল রূপান্তরের ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বের মাত্র ৫ শতাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল লিডার হিসেবে কাজ করছে। এতে দেখা যাচ্ছে, এর অর্থ এখনো অনেক প্রতিষ্ঠান এক্ষেত্রে শৈশব অবস্থায় রয়েছে।
অন্যদিকে ৭৮ শতাংশ বিজনেস লিডার ডিজিটাল রূপান্তরকে স্বীকার করে নেন। তারা মনে করেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তারা নিজেদের ব্যবসাকে রূপান্তর করে প্রতিযোগিতায় নামতে পারার সক্ষমতা অর্জন করবে।ডেল টেকনোলজিসের এশিয়া এমার্জিং মার্কেটের ভাইস প্রেসিডেন্ট কে আনোথাই বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) হলো রকেট শিপ। আর ডেটা হলো তার চালিকাশক্তি বা ফুয়েল। ভবিষ্যতে যেকোনো কোম্পানিকে প্রতিযোগিতার জন্য দরকার হবে টেকনোলজি টুলস; যেমন সফটওয়্যার ডেটা, এআই এবং ইন্টারনেট অব থিংকস। একই সঙ্গে গতি এবং স্কেল।
তিনি আরও বলেন, একটি টেকনোলজি প্রোভাইডার হিসেবে আমাদের লক্ষ্য গ্রাহকদের এ ইস্যুর সমাধান দেওয়া। শুধু এখনকার জন্য নয়, বরং সবসময়ের জন্য।
বিডি প্রেস রিলিস / ২৭ জুলাই ২০১৯ /এমএম
Posted on ডিসেম্বর ১৯th, ২০২৫
Posted on নভেম্বর ২৭th, ২০২৫
Posted on অক্টোবর ১৬th, ২০২৫
Posted on আগস্ট ১৯th, ২০২৫
Posted on মে ২৮th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫