নিজস্ব প্রতিবেদক :: আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় পর্ব থেকে বাছাই করা ৭৫ স্টার্টআপকে নিয়ে স্টুডেন্ট টু স্টার্ট আপের ‘জাতীয় ক্যাম্প ২.০’ শুরু হচ্ছে আগামী ১০ অক্টোবর। প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ও বাছাই শেষে সিলেকশন কমিটির সামনে পিচ করবে তারা যেখান থেকে বাছাই করে নেয়া হবে শীর্ষ ৩০ দলকে।
উদ্ভাবনী ভাবনা খোঁজার এ প্রতিযোগিতার আয়োজক সিআরআই, ইয়াং বাংলা ও আইসিটি ডিভিশনের আইডিয়া প্রকল্প। প্রথম পর্বে দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলায় এবার কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হয় স্টার্টআপ প্রতিযোগিতায়।
গত ৩ অক্টোবর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মশালা ও পিচিং দিয়ে শেষ হয় উদ্ভাবনী ভাবনা ও উদ্যোক্তার খোঁজার এ প্রতিযোগিতার বিশ্ববিদ্যালয় ও ভেন্যুভিত্তিক পর্ব। এর আগে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কর্মশালার মধ্য দিয়ে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ার এই প্লাটফর্মের দ্বিতীয় অধ্যায়।
এরপর সারাদেশের নির্ধারিত ভেন্যুতে চলে স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপের কর্মশালা ও পিচিং। কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন আয়োজক সংস্থা আইডিয়া ও ইয়াং বাংলার প্রতিনিধিরা। আর পিচিং রাউন্ডে উদ্যোক্তারা তাদের উদ্ভাবনী ভাবনা তুলে ধরেন। পিচিং রাউন্ডে প্রতিটি ভেন্যু থেকে সর্বোচ্চ তিনটি দলকে জাতীয় ক্যাম্পের জন্য বাছাই করা হয়।১২ অক্টোবর, পিচিং রাউন্ড শেষে বিচারকদের ভোটে বাছাই করা হবে মূল প্রতিযোগিতার শীর্ষ ৩০ স্টার্টআপ এবং শীর্ষ ১০ স্টার্টআপকে।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে জাতীয়ভাবে ইনোভেশন কালচার, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এবং এন্ট্রাপ্রেনরিয়াল সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করে সরকারের আইসিটি বিভাগের ‘আইডিয়া’ প্রকল্প। ২০১৮ সালে ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প বা আইডিয়া প্রকল্প’টি চুক্তিবদ্ধ হয় সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ও এর অঙ্গ সংগঠন ইয়াং বাংলার সঙ্গে।
আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক জানান, ভবিষ্যৎ মুকাবিলায় বাংলাদেশের তরুণদের প্রস্তুত করতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। আমাদের লক্ষ্য তরুণদের কাজের পরিবেশ তৈরি এবং একটি ইকো সিস্টেম তৈরি। যার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণদের হাত ধরে গড়ে উঠবে অসাধারণ সব স্টার্টআপ। আগামীতে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে নেতৃত্ব দেবে তারা।
প্রসঙ্গত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ১৫ সেপ্টেম্বর ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’ এর দ্বিতীয় অধ্যায়ের উদ্বোধন করেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এর অধীনে ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প বা আইডিয়া প্রকল্প’ এবং সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এর আওতাধীন দেশের শীর্ষস্থানীয় তরুণদের প্ল্যাটফর্ম ‘ইয়াং বাংলা’ এর সহযোগিতায় এই উদ্যোগটি আয়োজিত হচ্ছে।
গতবারের মত এবারও শীর্ষ বাছাই ৭৫ স্টার্টআপ নিয়ে আয়োজিত হবে ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’ দ্বিতীয় অধ্যায়ের জাতীয় ক্যাম্প। সেখানে দেড় দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপ শেষে আইডিয়া প্রকল্পের বাছাই কমিটির কাছে পিচ করবে এ সকল স্টার্টআপ। সেখান থেকে শীর্ষ ৩০ এবং এই শীর্ষ ৩০ দল থেকে বিজয়ী ১০ স্টার্টআপ দল বাছাই করে তাদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেয়া হবে ১০ লাখ টাকার চেক। অপর ২০ দলকে আরো প্রশিক্ষণ ও গ্রুমিং শেষে প্রস্তুত করে আবারো তার পিচ করার সুযোগ পাবে বাছাই কমিটির কাছে। সেখান থেকে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা স্টার্টআপগুলো ১০ লাখ টাকা করে পেয়ে যাবে।
২০০৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার অন্যতম স্তম্ভ হল একাডেমিক শিক্ষাকে সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগগুলোর সাথে যুক্ত করা। জাতীয়ভাবে ইনোভেশন কালচার ও অন্ট্রাপ্রেনরিয়াল সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের ভিত্তি গঠন করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
বিডি প্রেসরিলিস / ০৭ অক্টোবর ২০১৯ /এমএম
Posted on ডিসেম্বর ১৯th, ২০২৫
Posted on নভেম্বর ২৭th, ২০২৫
Posted on অক্টোবর ১৬th, ২০২৫
Posted on আগস্ট ১৯th, ২০২৫
Posted on মে ২৮th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫