নিজস্ব প্রতিবেদক :: রাজধানীর গুলশানে গার্ডেনিয়া ব্যাঙ্কোয়েটে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশেষ অনুষ্ঠান। দেশের শীর্ষস্থানীয় সব ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে স্থাপত্য ও শিল্পকলা নিয়ে এনামুল করিম নির্ঝর কালাবোরেশনের (ইকেএনসি) ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনা তুলে ধরেন বিশিষ্ট স্থপতি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা এনামুল করিম নির্ঝর।
আয়োজন নিয়ে এনামুল করিম নির্ঝর বলেন, আমাদের উদ্যোগগুলোর প্রধান বিষয় মানসিকতা। প্রশ্নবিদ্ধ মানসিকতার ভাঁজ যখন জটিল থেকে জটিলতর হয় তখন কথা হওয়া জরুরি, সেটা কখনো নিজের সঙ্গে কখনো অন্যর সঙ্গে। এটা যে জীবনচর্চার প্রধানতম অংশ সে বার্তাটি কীভাবে তরুণদের কাছে পৌঁছাবে, তারই উপায় খোঁজার চেষ্টা।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এনামুল করিম নির্ঝরের সিস্টেম আর্কিটেক্টস থেকে নিয়মিত স্থাপত্য চর্চার পাশাপাশি গড়ে তোলা হয়েছে আরেকটি দল ‘আর্কিটেকচার অ্যাজ রেন্সপন্সিবিলিটি’ (এএআর)। আইডিয়াবাজ স্থপতিদের জন্য ছাউনি হিসেবে কাজ করে এএআর। সৃজনশীল তরুণদের বিভিন্ন অনুশীলনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে সহয়তা করে এএআর। যেখানে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয় স্থাপত্যের মাধ্যমে মানুষের কল্যাণ করাকে। ইতিমধ্যেই ইকেএনসি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কাজ শুরু করেছে ভারতে ও সৌদি আরবের সঙ্গে।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ইকেএনসি ছয়টি স্থাপত্য প্রকল্পের কথা; যেগুলোর সবই অভিজ্ঞতার কেন্দ্র বা জাদুঘর। যেসব প্রকল্পের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসিকতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এসব প্রকল্পের ‘প্রাথমিক কল্পনা’ প্রস্তাবনা ইতিমধ্যেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হয়েছে। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয় আরও দু’টো প্রকল্প নিয়ে জাগো ফাউন্ডেশনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইকেএনসি। এ প্রকল্পের মধ্যে একটি রয়েছে ‘বন্ধুবাড়ি’ নামে।
অনুষ্ঠানে ইকেএনসি’র আরেকটি প্রচেষ্টা ‘নাইন স্টেপস’- এর নতুন প্রকল্পেরও ঘোষণা দেন আয়োজকরা। ‘নাইন স্টেপস’ উদ্যোগ থেকেই নির্মিত হয়েছিলো এনামুল করিম নির্ঝরের প্রথম চলচ্চিত্র ‘আহা!’। ২০২১ সালের মধ্যে ‘নাইন স্টেপস’ থেকে মোট ৯টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণেরও প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি চলচ্চিত্রের কাজ শেষ হয়ে গেছে। এ ৯টি ছবির সবগুলোর নামই ‘ব’ অক্ষর দিয়ে শুরু বলেও জানান আয়োজকরা।
সবশেষে এনামুল করিম নির্ঝর বলেন, ‘আমরা যারা বিশ্বাস করি ‘আইডিয়া ইজ এভরিথিং’ এবং মৌলিক সব ধারণা দিয়ে পিছিয়ে পড়া ধ্যান জ্ঞান মানসিক জটিলতাকে কাটানো সম্ভব। পাশাপাশি, যারা মানুষকে ভালোবেসে দিতে চায় নতুন নতুন অভিজ্ঞতা এবং যাদের প্রচলিত ভাষায় ‘ধান্দাবাজি’ করার রুচি বা অভ্যাস নেই একেবারেই, তাদের সব ইচ্ছা প্রকাশ করার বড় উপলক্ষ্য হতে পারে বাংলাদেশের ৫০তম জন্মবার্ষিকী।
বিডি প্রেসরিলিস / ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ /এমএম
Posted on ডিসেম্বর ১৯th, ২০২৫
Posted on নভেম্বর ২৭th, ২০২৫
Posted on অক্টোবর ১৬th, ২০২৫
Posted on আগস্ট ১৯th, ২০২৫
Posted on মে ২৮th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫