নিজস্ব প্রতিবেদক :: অনলাইনে দ্রুততম সময়ে বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে দেশব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল। এর আওতায় মার্সেল ফ্রিজ কিনে এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন।ওই টাকায় তিনি মার্সেলের আরও ৩টি ফ্রিজ, টিভিসহ অনেকগুলো পণ্য কিনেছেন। একটি ফ্রিজ কিনে লাখ টাকা পাওয়ায় মহাখুশি জামাল উদ্দীন ও তার পরিবারের সদস্যরা।
উল্লেখ্য, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে লাখপতি হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে মার্সেল। ফ্রিজের পাশাপাশি, ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন কিনে ক্রেতারা পেতে পারেন এক লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। ৮ জুন শুরু হওয়া এ সুযোগ থাকছে কোরবানির ঈদ পর্যন্ত। এর আগে মার্সেল ফ্রিজ কিনে এক লাখ টাকা করে ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন আরও দুই ক্রেতা। তারা হলেন-কিশোরগঞ্জের কৃষক সোলতান উদ্দিন এবং ময়মনসিংহের গৃহিণী সুফিয়া খাতুন।
১১ জুলাই, সিদ্দিরগঞ্জে মার্সেলের শোরুম ‘শারমিন ইলেকট্রনিক্স’-এ আনুষ্ঠানিকভাবে জামাল উদ্দিনের হাতে এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, হাজী আহসান উল্লাহ সুপার মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আউয়াল এবং ওয়ালটনের এরিয়া ম্যাানেজার নূরের সাফাহ প্রমুখ।
জানা গেছে, জামাল উদ্দিন নারায়ণগঞ্জ শহরের হিরাঝিল এলাকার ব্যবসায়ী। ৩০ জুন ‘শারমিন ইলেকট্রিক’ থেকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে একটি মার্সেল ফ্রিজ কেনেন তিনি। এরপর নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে মার্সেল থেকে এক লাখ টাকা পাওয়ার মেসেজ যায় তার মোবাইলে।
ভাগ্যবান ওই ক্রেতা জানান, তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার রুহিতারপাড়ে। ২০০০ সাল থেকে জমির ব্যবসা করছেন। সিদ্ধিরগঞ্জে নিজস্ব বাড়ি রয়েছে তার। চার মেয়েসহ তার ছয় সদস্যের পরিবারে ব্যবহারের জন্য মার্সেলের ফ্রিজটি কেনেন। আর তাতেই তিনি পেয়ে গেলেন এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার। ওই টাকার বিপরীতে মার্সেল শোরুম থেকে তিনি আরও একটি ফ্রিজ, দুইটি ফ্রিজার, দুইটি আয়রন, একটি করে এলইডি টিভি ও ইলেকট্রিক ফ্যানসহ বেশ কয়েকটি পণ্য নিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাসার পাশেই মার্সেল শোরুম। দীর্ঘদিন থেকে দেখে আসছি তাদের পণ্য খুবই উচ্চমানের। আমাদের এলাকায় অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে মার্সেল পণ্যের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। তাই আমিও মার্সেল থেকেই ফ্রিজটি কিনলাম। কিন্তু ওই ফ্রিজ কিনেই যে এক লাখ টাকা পাবো, তা কল্পনাও করতে পারিনি। ক্যাশ ভাউচার দিয়ে কেনা পণ্যগুলোর কিছু স্বজনদের দেবো, কিছু নিজেরা ব্যবহার করবো। ক্রেতাদের জন্য এমন সুযোগ রাখায় মার্সেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
জানা গেছে, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল ফোন নম্বর এবং বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে লাখপতি হওয়ার সুযোগসহ ক্রেতাদের নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার দিচ্ছে মার্সেল।
মার্সেলের বিক্রয় বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় বাজারে তাদের রয়েছে শতাধিক মডেলের ফ্রস্ট ও নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর, ডিপ ফ্রিজ ও বেভারেজ কুলার। দাম ১০,৯৯০ টাকা থেকে ৬৪,৯০০ টাকার মধ্যে। নিজস্ব কারখানায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি মার্সেল ফ্রিজ ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। এসবের মধ্যে রয়েছে আকর্ষণীয় ডিজাইনের গ্লাস-ডোর, ব্যাপক বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তির ফ্রস্ট ও সাইড-বাই-সাইড গ্লাস ডোরের নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর, বিএসটিআই’র ‘ফাইভ স্টার’ এনার্জি রেটিংপ্রাপ্ত রেফ্রিজারেটর। এসব ফ্রিজ স্ট্যাবিলাইজার ছাড়াই নিশ্চিন্তে চলে। মার্সেলের ফ্রিজে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৬০০এ রেফ্রিজারেন্ট। আন্তর্জাতিক মান যাচাইকারী সংস্থা নাসদাত-ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মার্সেলের প্রতিটি ফ্রিজের মান নিশ্চিত করেই বাজারে ছাড়া হচ্ছে।
সর্বোচ্চ গুণগতমানের আত্মবিশ্বাসে মার্সেল ফ্রিজে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টির পাশাপাশি কম্প্রেসরে ১২ বছরের গ্যারান্টি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা পৌঁছে দিতে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে মার্সেলের রয়েছে ৭৪টি সার্ভিস সেন্টার।
বিডি প্রেসরিলিস / ১৯ জুলাই ২০২০ /এমএম
Posted on ডিসেম্বর ১৯th, ২০২৫
Posted on নভেম্বর ২৭th, ২০২৫
Posted on অক্টোবর ১৬th, ২০২৫
Posted on আগস্ট ১৯th, ২০২৫
Posted on মে ২৮th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫