নিজস্ব প্রতিবেদক :: দেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত অংশগ্রহণ অনুপ্রাণিত করতে গ্রীন ডেল্টা ইনস্যুরেন্সের উদ্যোগে প্রকাশিত হলো বেসরকারি পর্যায়ের প্রথম এসডিজি প্রতিবেদন।ব্যবসায় সামাজিক সিএসআর সেন্টার এবং ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি বাংলাদেশের যৌথ সহযোগিতায় জাতিসংঘ প্রতিবেদন নীতিমালা অনুসরণে এসডিজি বাস্তবায়নে দেশের বেসরকারিখাতের উদ্যোগের উপর আলোকপাত করা হয়েছে গ্রীন ডেল্টা ইনস্যুরেন্সের এই প্রকাশনায়।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এসডিজি রিপোর্ট প্রকাশনা এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবদুল মোমেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন গ্রীন ডেল্টার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানাহ চৌধুরী।
সিএসআর সেন্টারের চেয়ারম্যান ফারুক সোবহানের সঞ্চালনায় প্রতিবেদন উন্মোচনের আগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব আসাদুল ইসলাম, বীমা উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সদস্য মোশাররফ হোসেন, যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন এবং জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো।আলোচনা সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন জানান, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় এসডিজিকে অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে পাঁচ বছর মেয়াদী জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ।
পরিবর্তনশীল বিশ্বে সমতা ও বৈষম্যহীন উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ২০১৫ সালে জাতিসংঘে গৃহীত এসডিজিতে ২০৩০ সালের মধ্যে পূরণের জন্য মোট ১৭টি লক্ষ্য স্থির করা হয়।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্থসামাজিক পর্যায়ে সকলকে নিয়ে সমন্বিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর সাথে একসাথে কাজ করছে বাংলাদেশ। উন্নয়নমূখী সুশাসন নিশ্চিতে এসডিজিকে ‘অন্যতম নিয়ামক’ মনে করে সরকার।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানাহ চৌধুরী জানান এসডিজি মূলনীতির আলোকে পরিবেশ প্রতিবেশ ঝুঁকি এড়িয়ে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে উদ্ভাবনী সেবা প্রদানে সরকারি বেসরকারি অংশীদারদের সাথে কাজ করছে গ্রীন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স।আগামী দশকে এসডিজির ১৬৯ টি বিষয়কে ১৭ টি লক্ষ্যমাত্রার মাধ্যমে অর্জনের জন্য সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বাড়ানো গেলে জাতীয় পর্যায়ে লক্ষ্যমাত্রা সহজ হবে বলে মনে করেন ফারজানাহ চৌধুরী।
টেকসই উন্নয়নের ব্যাপারটা প্রথম আলোচনায় আসে ১৯৮৭ সালে, ব্রুন্টল্যান্ড কমিশন এর রিপোর্টে। ২০০০ সালে শুরু হওয়া ‘মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল’ বা এমডিজি অর্জনের সময় শেষ হয় ২০১৫ সালে। এরপর জাতিসংঘ ঘোষণা করে ১৫ বছর মেয়াদি ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল’ বা এসডিজি। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ২০১৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য পূরণ করতে হবে।
বিডি প্রেসরিলিস /২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ /এমএম
Posted on ডিসেম্বর ১৯th, ২০২৫
Posted on নভেম্বর ২৭th, ২০২৫
Posted on অক্টোবর ১৬th, ২০২৫
Posted on আগস্ট ১৯th, ২০২৫
Posted on মে ২৮th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫