নিজস্ব প্রতিবেদক :: করোনার লকডাউনের সময়ে গরিব-অসহায়দের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন জ্যোতিষ রাজ লিটন দেওয়ান চিশ্তী। করোনাভাইরাসে সারাদেশ যখন লকডাউন, ঘরের বাইরে প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হচ্ছে না তখন গরিব, অসহায়, দিনমজুর মানুষদের চলছে অর্থাভাব। কাজ না থাকায় অনেকে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন, তাদের পাশে সমাজের বিত্তবানদের দাঁড়াতে অনুরোধ করেন তিনি।
জ্যোতিষ রাজ লিটন দেওয়ান চিশতী বলেন, ‘সরকারের একার পক্ষে এই বিপদ মোকাবিলা সম্ভব নয়। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সবাইকে মানবতার সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাবসহ প্রশাসনের সবার প্রতি সম্মান দেখিয়ে তারা যেভাবে বর্তমান সময়ে গাইড করছে সেভাবেই চলতে হবে। এ ছাড়াও করোনা ভাইরাস নিয়ে ভয় পেলে চলবে না, করোনায় আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে, নিজেদের শক্ত থাকতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, প্রাণঘাতী করোনা মোকাবেলায় আল্লাহর উপর ভরসা থাকতে হবে। বেশি প্যানিকে না পরে নিজে সচেতনতা বাড়াতে হবে। অন্যদের সহযোগিতার মাধ্যমে সচেতনা তৈরি করতে হবে। এ ছাড়াও করোনার এই সময়ে যারা আমরা প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে যাচ্ছি তাদের খেয়াল রাখতে হবে বেশি বেশি পণ্য না কেনার দিতে। মধ্যবৃত্ত বা যাদের অর্থ আছে পণ্য কেনার কিন্তু অনেকে বেশি বেশি পণ্য কিনে রাখার কারণে অন্যদের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ ছাড়াও গরিবদের হক নষ্ট করা যাবে না, আল্লাহর ইবাদত করতে হবে, নামাজ পরতে হবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ওযু করার মাধ্যমেও পরিচ্ছন্ন হওয়া যায়, তাই যারা নামাজ পরেন তারা অনেকটাই করোনা থেকে মুক্ত।’
রাজ লিটন দেওয়ান বলেন, আল্লাহ চাইলে শিগগিরই করোনার প্রতিকার খুঁজে পাবো আমরা। দেশও করোনা থেকে মুক্ত পাবে তবে মুক্তি পেলেও আমাদের জনসচেতনতায় পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ তুলে তাকাবেন নিশ্চিয়। সবাইকে আল্লাহর ইবাদতে ব্যস্ত থাকতে হবে। নিজেদের পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কারণ মনে রাখতে হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।
উল্লেখ্য, জ্যোতিষরাজ লিটন দেওয়ান চিশতী চিশ্তী মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার বিবন্দী ১১ বাগবাড়ী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত দেওয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম মো. আবদুস সাত্তার দেওয়ান চিশতী ইসলামের আলোকে আলোকিত অতি উচ্চমানের একজন আধ্যাত্মিক সাধক ছিলেন। জ্যোতিষরাজ লিটন দেওয়ান চিশতী বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। একইসঙ্গে বিভিন্ন অলি আওলিয়া দরবেশের দরবার ও মাজার শরীফ জেয়ারত এবং নিজেকে আধ্যাত্মিক সাধনায় চিশতীয়া তরিকার আলোয় আলোকিত করেছেন। ওলিকুলের শিরোমনি, উপমহাদেশের বিখ্যাত ওলি হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী (রহঃ) এর দরবার শরীফে যাওয়ার পর ২৩তম বংশধর আজমীর শরিফের বর্তমান পীর সাহেব হযরত সৈয়দ হাসনাইন চিশতী (রহঃ) এর কাছ থেকে খেলাফত প্রাপ্ত হন তিনি।
বিডি প্রেসরিলিস /৩০ মার্চ ২০২০ /এমএম
Posted on ডিসেম্বর ১৯th, ২০২৫
Posted on নভেম্বর ২৭th, ২০২৫
Posted on অক্টোবর ১৬th, ২০২৫
Posted on আগস্ট ১৯th, ২০২৫
Posted on মে ২৮th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫