নিজস্ব প্রতিবেদক :: ই-কমার্স মুভারস অ্যাওয়ার্ড পেল দেশীয় ই-কমার্স ভিত্তিক মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি। ফুড ডেলিভারি সেবা ই-ফুডের জন্য এই সম্মাননা পুরস্কার পেল প্রতিষ্ঠানটি।
রবিবার (৮ নভেম্বর) রাতে ইকমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইক্যাব এর ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১০০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান এবং ১২ ব্যক্তিকে ই-কমার্স মুভার্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। করোনা মহামারীকালে ই-কমার্স এর মাধ্যমে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
রাজধানীর পূর্বাচলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়। ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিন এর হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংকটের সময়ে প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয় পাওয়া যায়।
৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন তরুণরা পরিবারের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও জাতীর স্বার্থে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তেমনি করোনাকালে ও তরুণরা, ই-কমার্স উদ্যোক্তারা নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থের উর্ধ্বে গিয়ে নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের দেশের চাহিদা মেটানোর জন্য দেশিয় উদ্যোক্তারাই তৈরি হবে।
তিনি বলেন, মাত্র দু’বছরের ব্যবধানে নগদ, ইভ্যালি, মিনা বাজার, স্বপ্ন ইত্যাদি যেভাবে এগিয়ে গেছে আগামী দিনে তারাই অ্যামাজন, আলিবাবার মতো জায়ান্ট এ পরিণত হবে। করোনার শুরু থেকেই আমরা সকল ই-কমার্স কার্যক্রমকে জরুরি সেবার আওতায় নিয়ে এসে তাদের কার্যক্রম চলমান রাখার সুযোগ করে দিয়েছি এবং এফ-কমার্স ও ই-কমার্স মিলিয়ে এক লাখ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পেরেছি।
অনুষ্ঠানে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, আজকের এই ইভ্যালির পেছনে আমার অনুপ্রেরণা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নিজ উদ্যোগে পদ্মাসেতুর বাস্তবায়ন আমাকে অনুপ্রেরণা ও সাহস যুগিয়েছে। ইভ্যালি এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই চারটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। এর মধ্যে ইভ্যালির ৪০ লাখ নিবন্ধিত গ্রাহক রয়েছেন এবং ২৫ হাজার বিক্রেতা রয়েছেন।
ই-ফুড নিয়ে রাসেল বলেন, ই-ফুড দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাদ্য সরবরাহ পরিষেবা প্রতিষ্ঠান। যেখানে প্রায় এক হাজার ৫০০টি নিবন্ধিত রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এসব রেস্টুরেন্ট থেকে প্রতিদিন প্রায় সাত হাজার ফুড ডেলিভারি দিয়ে থাকে ই-ফুড। অন্যদিকে ই-বাজারেও গ্রাহকেরা নিজেরাই নিজেদের পণ্য ক্রয় বিক্রয় করতে পারেন। আর ই-খাতায় ব্যবসায়ীরা তাদের দৈনন্দিন হিসাব রাখতে পারেন।
অনুষ্ঠানে ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সারের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ই-ক্যাবের ১৩০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
বিডি প্রেসরিলিস /১০ নভেম্বর ২০২০ /এমএম
Posted on ডিসেম্বর ১৯th, ২০২৫
Posted on নভেম্বর ২৭th, ২০২৫
Posted on অক্টোবর ১৬th, ২০২৫
Posted on আগস্ট ১৯th, ২০২৫
Posted on মে ২৮th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৭th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫
Posted on মে ১৫th, ২০২৫